মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ জুলাই ২০১৭

গবেষণা বিভাগ

গবেষণা বিভাগ

বাংলাদেশে পল্লী অঞ্চলের সমস্যাসমূহ নানা উপায়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। তন্মধ্যে গবেষণা কার্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার যার মাধ্যমে বিদ্যমান সামাজিক সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। পল্লী উন্নয়ন ও গবেষণার মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে পল্লী অঞ্চলের সমস্যা যেমনঃ চিহ্নিত করা যায়, তেমনি সমাধানের পথও খুঁজে পাওয়া যায়। পূর্বের গবেষণাসমূহ বিশদ ও পূর্ণাঙ্গ বিবেচিত না হলে নতুন গবেষণার মাধ্যমে সামাজিক সমস্যাসমূহের সমাধানের প্রয়াস অব্যাহত রাখা হয়।

গবেষণা পরিচালনা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) এর উপর সরকার কর্র্তৃক অর্পিত দায়িত্বাবলীর মধ্যে অন্যতম। গবেষণা বিভাগ একাডেমীর সকল গবেষণা কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। একাডেমী তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পল্লী অঞ্চল ও জনগণের আর্থ-সামজিক উন্নয়নের জন্য নিয়মিতভাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ সকল গবেষণার তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে পল্লীর মানুষের মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে। একাডেমী প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে যে পল্লী অঞ্চলের উন্নয়ন কেবল পল্লীর মানুষের কার্যকর অংশগ্রহণের মাধ্যমেই সম্ভব। তাই গবেষণার তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে তাদের মতামত নেয়া অত্যাবশ্যক। একাডেমী মূলতঃ তিন ধরনের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে যেমন: জরীপধর্মী গবেষণা, মূল্যায়ণধর্মী গবেষণা ও প্রায়েগিক গবেষণা। জরীপধর্মী গবেষণার মাধ্যমে মূলতঃ পল্লীর আর্থ-সামাজিক সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করা হয় এবং প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্তসমূহ এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রকল্প গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মূল্যায়নধর্মী গবেষণার মাধ্যমে উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচী/প্রকল্পের প্রভাব/অবদান জানার প্রয়াস নেয়া হয়। অন্যদিকে প্রায়োগিক গবেষণার মাধ্যমে পল্লী উন্নয়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে যুগোপযোগী ও উন্নত মডেল উদ্ভাবন এবং উন্নতমানের উৎপাদন পদ্ধতি নিরূপনের প্রচেষ্টা নেয়া হয়। অধিকন্তু, বার্ড বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা ও সুসাশনের উপর গবেষণা পরিচালনার প্রতি অধিক গুরুত্বারোপ করেছে।  বার্ডের গবেষণালব্ধ ফলাফলসমূহ নিয়মিতভাবে রেকর্ডভুক্তকরণ ও সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে যা একাডেমীর প্রশিক্ষণ উপকরণ ও প্রায়োগিক গবেষণার নতুন প্রস্তাবনা তৈরীর উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একই সাথে গবেষণালব্ধ এ সকল তথ্য ও উপাত্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন ও অন্যান্য নীতি নির্ধারনী কর্র্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয় যা পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে নীতি নির্ধারণ ও নতুন কর্মসূচী/প্রকল্প গ্রহণের জন্য সহায়তা প্রদান করে থাকে। 

গবেষণা বিভাগের দায়িত্বাবলী

  • পল্লী উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা।
  • একাডেমীর অনুষদ সদস্যদের গবেষণা সম্পাদনে সহায়তা প্রদান।
  • একাডেমীর গবেষণা কার্যক্রমের সার্বিক ব্যবস্থাপনা।
  • পল্লী উন্নয়ন সম্পর্কিত কর্মসূচীসমূহ ও কার্যক্রমের মূল্যায়ন।
  • পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে সরকার ও অন্যান্য সংস্থাকে বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শমূলক সহায়তা প্রদান।
  • দেশ ও বিদেশের শিক্ষার্থীগণকে তাদের গবেষণা অভিসন্দর্ভ তৈরীতে পরামর্শ ও উপদেশ প্রদান।
  • গবেষণালব্ধ ফলাফলের উপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন।
  • নীতি নির্ধারকগণকে পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে সামগ্রিক সহায়তা গ্রদান।
  • সামাজিক গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা।
  • পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক গবেষণার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সংযোগ ডেস্ক (Link desk) হিসেবে কার্য সম্পাদন।

 গবেষণা বিভাগের জনবল

একাডেমীর গবেষণা বিভাগের প্রধান হিসেবে একজন পরিচালক রয়েছেন। তিনি একজন যুগ্ম-পরিচালক, একজন উপ-পরিচালক, এবং একজন সহকারী পরিচালকের সহায়তা নিয়ে গবেষণা বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়া গবেষণা বিভাগের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য একজন গবেষণা সহকারী, ৪ জন গবেষণা সুপারভাইজার, ৪ জন গবেষণা টেবুলেটর, ৮ জন তথ্য সংগ্রহকারী, একজন ব্যক্তিগত সহকারী (একজন স্টেনো-টাইপিষ্ট/কম্পিউটার অপারেটর), একজন নিম্নমান সহকারী-কাম-কম্পিটার অপারেটর, এবং একজন পিয়ন/এমএলএসএস কর্মরত রয়েছেন। নিম্নে গবেষণা বিভাগের জনবল কাঠামো দেয়া হলো:

ক্রমিক নং

পদবী

পদের সংখ্যা

শূন্য পদের সংখ্যা

১.

পরিচালক

-

২.

যুগ্ম-পরিচালক

-

৩.

উপ-পরিচালক

-

৪.

সহকারী পরিচালক

-

৫.

গবেষণা সহকারী

-

৬.

গবেষণা সুপারভাইজার

-

৭.

গবেষণা টেবুলেটর

-

৮.

তথ্য সংগ্রহকারী

৯.

পরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী

-

১০.

নিম্নমান সহকারী/কম্পিউটার অপারেটর

-

১১.

পিয়ন/এমএলএসএস

-

                 মোট

২৪


Share with :
Facebook Facebook