মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ August ২০১৮

বার্ড এর বেস্ট প্রাকটিসেস সমূহ

বার্ড এর বেস্ট প্রাকটিসেস সমূহ

অংশগ্রহণধর্মী উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি উদ্ভাবনী কার্যক্রমঃ

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা সম্মেলন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণধর্মী পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের একটি সফল উদ্ভাবনী হিসেবে স্বীকৃত। বার্ড প্রতিষ্ঠালগ্ন (১৯৫৯) থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেইকহোল্ডারদের নিয়ে  প্রতিবছর  নিয়মিতভাবে এই সম্মেলন আয়োজন করে আসছে। অভ্যন্তরীন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণধর্মী প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার এটি একটি সফল ও টেকসই দৃষ্টান্ত। পরবর্তীতে বাংলাদেশের অনেক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ ধরণের অংশগ্রহণধর্মী কর্মপরিকল্পনা সম্মেলন চালু করেছে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুফলভোগী নির্বাচনে অনলাইন তথ্যভান্ডার সৃজনঃ

বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুফলভোগী নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ও  মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর উদ্যোগে পরীক্ষামূলকভাবে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়ীয়া ও রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট ইউনিয়নের সকল খানা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে একটি তথ্যভান্ডার তৈরী করা হয়। বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তার কর্মসূচির মধ্যে ১০টি কর্মসূচির নির্ণায়কের ভিত্তিতে প্রকৃত সুফলভোগী নির্বাচন করা সম্ভব হয়েছে। এ অভিজ্ঞতার আলোকে পদ্ধতির কিছু পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে জাতীয় পর্যায়ে তথ্যভান্ডার উন্নয়নে বার্ড অবদান রাখতে সক্ষম।

লালমাই ময়নামতি প্রকল্পঃ (একটি বাড়ী একটি খামারের বার্ড অংশ)

সমন্বিত কৃষি-কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কুমিল্লার লালমাই-ময়নামতি  পাহাড়ি এলাকায়  জনগণের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নের জন্য পরিচালিত প্রকল্পটি এ এলাকার জনগণের কৃষি ক্ষেত্রে বহুমূখি কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে জীবনযাত্রা মান উন্নয়ন করতে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি পাহাড়ী অঞ্চলে এটি প্রথম সমন্বিত জীবিকায়ন প্রকল্প। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ, আর্দশ সদর এবং বুড়িচং উপজেলার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ি এলাকার ৮টি ইউনিয়নের ৬৮ গ্রামে অতি দরিদ্র ও দরিদ্র জনগণের পাশাপাশি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত অন্যান্য মানুষও এ প্রকল্প হতে সুবিধা পাচ্ছেন। উপকারভোগীদের সেবা প্রদান সহজতর ও প্রাতিষ্ঠানীকরণের লক্ষ্যে ৬০ সদস্য বিশিষ্ট (৪০ জন নারী, ২০ জন পুরুষ) গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন গড়ে তোলা হচ্ছে। এ ভাবে প্রকল্প এলাকায় মোট ৩০০টি গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন সৃষ্টি করে তাঁদেরকে বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন উপকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল প্রদান ও মনিটরিং-এর মাধ্যমে প্রকল্পটি টেকসই করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অন্যান্য পাহাড়ি অঞ্চলে এটি সম্প্রসারণ করে তাঁদের দারিদ্র বিমোচন করা সম্ভব হবে।

ইকোটয়লেটঃ

২০০৪ সালে বার্ড কর্তৃক উদ্ভাবিত ইকোটয়লেট একটি পরিবেশ বান্ধব, স্বাস্থ্যসম্মত, দীর্ঘস্থায়ী, দুর্গন্ধমুক্ত এবং মল ও মুত্র সার হিসেবে ব্যবহার যোগ্য সেনিটেশন ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থাটিকে সম্প্রসারণ করার জন্য বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), জাপান এসোসিয়েশন অব ড্রেইনেজ এন্ড এনভায়রণমেন্ট (জেএডিই) এর সহযোগিতায় ২০০৪ সাল থেকে কুমিল্লা জেলার ৪টি গ্রামে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম “ইকোটয়লেট” কার্যক্রম শুরু করে। এ কার্যক্রমের সফলতার ধারাবাহিকতায় জাইকা এর অর্থায়নে এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে উল্লিখিত ৪টি গ্রামসহ আরো ২টি গ্রামে ১০০টি ইকোটয়লেট নির্মাণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, প্রায়োগিক এ অভিজ্ঞতার আলোকে পদ্ধতির কিছু পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে জাতীয় পর্যায়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্ভব।

  

Best Practices of BARD.pdf Best Practices of BARD.pdf

Share with :

Share with :

Facebook Facebook